খুঁজুন
advertisement
advertisement
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, ১৩ কার্তিক, ১৪৩৩

গ্যাসের চুলার শিখা কমলা হলে সতর্ক হোন, বাড়তে পারে স্বাস্থ্যঝুঁকি

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ৪:২৪ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
গ্যাসের চুলার শিখা কমলা হলে সতর্ক হোন, বাড়তে পারে স্বাস্থ্যঝুঁকি

ছবি সংগৃহীত


নিজস্ব প্রতিবেদক:

প্রতিদিনের রান্নাবান্নায় গ্যাসের চুলা ব্যবহার করেন অধিকাংশ মানুষ। তবে রান্নার সময় চুলার শিখার রঙের দিকে খুব একটা নজর দেওয়া হয় না। অথচ শিখার রঙে অস্বাভাবিক পরিবর্তন দেখা দিলে তা দহনপ্রক্রিয়ায় সমস্যা কিংবা গৃহস্থালি নিরাপত্তার ঝুঁকির ইঙ্গিত হতে পারে।

পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম জিও নিউজের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গ্যাসের চুলার শিখার রঙ জ্বালানির দহনপ্রক্রিয়া সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ ধারণা দিতে পারে। বিশেষ করে দীর্ঘ সময় ধরে শিখার বেশির ভাগ অংশ হলুদ বা কমলা থাকলে বিষয়টি অবহেলা না করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

চুলার শিখা নীল হওয়া কেন স্বাভাবিক?

সাধারণত গ্যাসের চুলায় নীল শিখা দেখা গেলে তা ভালোভাবে দহনের লক্ষণ। প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদান মিথেন। পর্যাপ্ত অক্সিজেনের উপস্থিতিতে গ্যাস সম্পূর্ণভাবে পুড়লে মূলত তাপ, জলীয় বাষ্প ও কার্বন ডাই-অক্সাইড তৈরি হয়।

অন্যদিকে, শিখার বেশির ভাগ অংশ হলুদ বা কমলা হয়ে গেলে দহনপ্রক্রিয়ায় সমস্যা থাকার আশঙ্কা থাকে। তবে বাতাসে ধুলাবালি, আর্দ্রতা কিংবা কিছু খনিজ কণার উপস্থিতির কারণেও সাময়িকভাবে শিখার রঙ পরিবর্তিত হতে পারে। তাই শুধু শিখার রঙ দেখেই চুলায় ত্রুটি রয়েছে বলে নিশ্চিত হওয়া যায় না।

কেন কমলা বা হলুদ শিখা দেখা যায়?

গ্যাসের চুলায় কমলা বা হলুদ শিখা দেখা দেওয়ার পেছনে কয়েকটি কারণ থাকতে পারে। যেমন—

  • বার্নারে ময়লা জমা: দীর্ঘদিন পরিষ্কার না করায় বার্নারের ছিদ্রে ময়লা জমতে পারে।

  • বাতাস চলাচলে বাধা: দহনের জন্য প্রয়োজনীয় অক্সিজেনের সরবরাহ কমে যেতে পারে।

  • বার্নারের ছিদ্র বন্ধ হওয়া: ছিদ্রে ময়লা জমলে গ্যাস ও বাতাসের স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত হতে পারে।

  • ধুলাবালি ও আর্দ্রতা: ঘরের বাতাসে থাকা কিছু কণা শিখার রঙে সাময়িক পরিবর্তন আনতে পারে।

  • যান্ত্রিক ত্রুটি: বার্নার বা গ্যাস সরবরাহব্যবস্থায় সমস্যা থাকলেও শিখার রঙ অস্বাভাবিক হতে পারে।

কার্বন মনোক্সাইডের ঝুঁকি কতটা?

গ্যাসের অসম্পূর্ণ দহনে কার্বন মনোক্সাইড তৈরি হতে পারে। এটি বর্ণহীন ও গন্ধহীন বিষাক্ত গ্যাস, যা শ্বাসের সঙ্গে শরীরে প্রবেশ করে গুরুতর অসুস্থতা এমনকি মৃত্যুর কারণও হতে পারে।

মাথাব্যথা, মাথা ঘোরা, বমি বমি ভাব, দুর্বলতা ও বিভ্রান্তি কার্বন মনোক্সাইডের বিষক্রিয়ার লক্ষণ হতে পারে। তবে শিখার রঙ পরিবর্তন হলেই যে বিপজ্জনক মাত্রায় এই গ্যাস তৈরি হচ্ছে, তা নিশ্চিত নয়।

চুলার শিখা দীর্ঘ সময় ধরে হলুদ বা কমলা থাকলে কিংবা কালির আস্তরণ জমতে দেখা গেলে চুলা পরীক্ষা করানো উচিত। সন্দেহজনক অবস্থায় চুলা ব্যবহার বন্ধ করে নিরাপদে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করুন এবং অভিজ্ঞ কারিগরের সহায়তা নিন। গ্যাসের চুলা ব্যবহার করা ঘরে পর্যাপ্ত বায়ু চলাচলের ব্যবস্থাও নিশ্চিত করা জরুরি।

গ্যাসের অপচয় ও বাড়তি খরচ

দহনপ্রক্রিয়ায় সমস্যা থাকলে চুলা থেকে প্রত্যাশিত তাপ পাওয়া নাও যেতে পারে। এতে রান্না করতে বেশি সময় লাগতে পারে এবং জ্বালানির কার্যকারিতা কমে যেতে পারে। পাশাপাশি ঘরের ভেতরের বাতাসও দূষিত হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

তবে শুধু শিখার রঙ দেখে গ্যাসের অপচয় বা বাড়তি বিল নিশ্চিতভাবে নির্ধারণ করা যায় না। এ জন্য চুলার সামগ্রিক অবস্থা ও দহনপ্রক্রিয়া পরীক্ষা করা প্রয়োজন।

নিরাপদ থাকতে যা করবেন

গ্যাসের চুলার শিখার রঙের দিকে নিয়মিত নজর রাখুন। বার্নার ঠান্ডা হওয়ার পর প্রস্তুতকারকের নির্দেশনা অনুযায়ী পরিষ্কার করুন। গ্যাসের সংযোগ বা বার্নারে নিজে থেকে ঝুঁকিপূর্ণ মেরামতের চেষ্টা করবেন না।

গ্যাসের গন্ধ পেলে আগুন জ্বালাবেন না এবং বৈদ্যুতিক সুইচ চালু বা বন্ধ করবেন না। নিরাপদে সম্ভব হলে গ্যাসের সরবরাহ বন্ধ করে স্থান ত্যাগ করুন এবং বাইরে থেকে গ্যাস সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের জরুরি সেবায় যোগাযোগ করুন। কার্বন মনোক্সাইডের বিষক্রিয়া সন্দেহ হলে দ্রুত খোলা বাতাসে চলে গিয়ে জরুরি চিকিৎসা নিন।

সামান্য সতর্কতা ও নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের মাধ্যমে গ্যাসের চুলা ব্যবহারের ঝুঁকি কমানো এবং পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক/ যোগফল. কম

পাইকগাছায় ফোনে চাঁদা দাবি; মামলা দায়েরের ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৩

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৩৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পাইকগাছায় ফোনে চাঁদা দাবি; মামলা দায়েরের ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৩

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি:

খুলনার পাইকগাছায় আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের কাছে ফোনে চাঁদা দাবি ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগে ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার রাতে বাগেরহাটের রামপাল এলাকা থেকে কথিত ‘ডন বাবু’ ওরফে ‘গ্রেনেড বাবু’ এবং ‘নবাব’ নামে পরিচিত মোল্লা ইয়ামিন, তাঁর মা শাহিদা বেগম (৫০) ও স্ত্রী হিরা আক্তারকে (২৬) গ্রেপ্তার করা হয়।

থানা সূত্রে জানা গেছে, গত ১৭ অক্টোবর এবং দ্বিতীয় দফায় ২৫ অক্টোবর পাইকগাছা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট জিএম আব্দুস সাত্তার ও সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. আক্কাজ আলীর কাছে ফোন করে চাঁদা দাবি ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। এ ঘটনায় তাঁরা পৃথক দুটি মামলা করেন। মামলাগুলো পাইকগাছা থানায় ২৭ ও ২৮ নম্বর হিসেবে নথিভুক্ত হয়েছে, তারিখ ২৭/১০ বলে জানা গেছে।

মামলা দায়েরের পর জেলা পুলিশ সুপার সরকার ওমর ফারুকের নির্দেশনায় এবং পাইকগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ আব্দুল আউয়াল কবিরের সার্বিক দিকনির্দেশনায় আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করে পুলিশ। এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার রাতে বাগেরহাটের রামপাল এলাকা থেকে ওই তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এ বিষয়ে পাইকগাছা থানা অফিসার ইনচার্জ শেখ আব্দুল আউয়াল কবির জানান, জেলা পুলিশ সুপার মহোদয়ের নির্দেশনা মোতাবেক আমরা অভিযান পরিচালনা করে বহুল আলোচিত ফোনে চাঁদাবাজির ঘটনার ৩ আসামিকে আটক করতে সক্ষম হয়েছি। তার নামে দেশের বিভিন্ন থানায় চাঁদাবাজিসহ একাধিক মামলার সন্ধান পাওয়া গেছে। 

এদিকে, গত ২৬ অক্টোবর বিকেল ৩টার দিকে পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আহসানারা বিনতে আহমেদের কাছে সর্বহারা পার্টির পরিচয় দিয়ে আসলাম শিকদার নামে এক ব্যক্তি চাঁদা দাবি করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিকেও গ্রেপ্তারের প্রক্রিয়া চলছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

গোপালগঞ্জে শিশু মুহিন হত্যা মামলায় ২ জনের মৃত্যুদণ্ড, একজনের যাবজ্জীবন

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৩৬ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
গোপালগঞ্জে শিশু মুহিন হত্যা মামলায় ২ জনের মৃত্যুদণ্ড, একজনের যাবজ্জীবন

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আমিন উদ্দিন ও শিহাব মোল্লা

সাইফুল ইসলাম  ।। গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি 

গোপালগঞ্জে চাঞ্চল্যকর শিশু তালহা হত্যা মামলায় আমিন উদ্দিন ও শিহাব মোল্লা নামে দুই আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। 

একই মামলায় অপর এক আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়া প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ১ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। 

আজ বুধবার (২৮ অক্টোবর) দুপুরে গোপালগঞ্জ শিশু ও নারী নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ও বিশেষ দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ মোরশেদ আলম এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি শাওন মোল্লা পলাতক রয়েছে। 

মামলার অপর আসামি লেয়াকত আলী মোল্লাকে খালাস দিয়েছেন আদালত।
মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২৫ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার চন্দ্রদিঘলিয়া গ্রামের মানজুরুল ইসলামের ১২ বছর বয়সী ছেলে তালহা ওরফে মুহিন মাছ ধরা দেখতে গিয়ে নিখোঁজ হয়। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি।

পরে ২৪ ফেব্রুয়ারি রাতে মানজুরুল ইসলামের ভাড়াটিয়া আমিন উদ্দিনের ঘরে থাকা একটি ট্রাংক থেকে মুহিনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নিহত শিশুর বাবা মানজুরুল ইসলাম ২০২৫ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি চারজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।

দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আজ বুধবার এ মামলার রায় ঘোষণা করেন আদালত। তবে রায়ে নিহতের পরিবার ও রাষ্ট্রপক্ষ সন্তুষ্টি প্রকাশ করলেও আসামি পক্ষের আইনজীবী উচ্চ আদালতে আপিলের কথা জানিয়েছেন।
মামলার বাদী ও ভিকটিমের পিতা মনজুরুল ইসলাম রায়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন।
মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট তৌফিকুল ইসলাম এবং আসামী পক্ষের আইনজীবী ছিলেন অ্যাড.এম জুলকদর রহমান।

নিবন্ধনের দাবিতে তারেক রহমানের অনশন ১৩১ ঘণ্টা, শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৪২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
নিবন্ধনের দাবিতে তারেক রহমানের অনশন ১৩১ ঘণ্টা, শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

রাজনৈতিক দল হিসেবে নিবন্ধনের দাবিতে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) প্রধান ফটকের সামনে আমরণ অনশন করছেন আমজনতার দলের সদস্যসচিব তারেক রহমান। অনশনের ১৩১ ঘণ্টা পেরিয়ে যাওয়ার পর তাঁর শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক বলে দাবি করেছে দলটি।

রোববার (৯ নভেম্বর) বিকেলে আমজনতার দলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আরিফ বিল্লাহ এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানান।

বিবৃতিতে বলা হয়, আমরণ অনশন কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন তারেক রহমান। তিনি বর্তমানে ‘জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে’ রয়েছেন বলে দাবি করে তাঁর জীবন রক্ষায় দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে দলটি।

দলটির নিবন্ধনসংক্রান্ত প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করার পাশাপাশি অনশনরত তারেক রহমানের জীবন রক্ষায় নির্বাচন কমিশনসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে যথাযথ ভূমিকা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয় বিবৃতিতে।

গত ৪ নভেম্বর বিকেল থেকে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের প্রধান ফটকে অনশন করছেন তারেক রহমান। তাঁর কর্মসূচির প্রতি বিএনপি, গণঅধিকার পরিষদসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সংগঠন এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ সংহতি জানিয়েছেন বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।

তারেক রহমানকে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ইতিহাসের একজন সংগ্রামী ও সাহসী তরুণ নেতা হিসেবে উল্লেখ করে বিবৃতিতে বলা হয়, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান, ২০১৮ সালের কোটা আন্দোলনসহ রাষ্ট্রের বিভিন্ন সংকটময় মুহূর্তে তিনি আন্দোলনের অগ্রভাগে থেকে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রেখেছেন।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, অনশনের ১৩১ ঘণ্টা পার হলেও নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে কার্যকর উদ্যোগ দেখা যায়নি বলে দলটি মনে করছে। নিবন্ধনের দাবির বিষয়ে কমিশনের নীরবতা ও উদাসীনতা জনমনে উদ্বেগ ও ক্ষোভ তৈরি করছে বলেও দাবি করা হয়।

তারেক রহমানের সঙ্গে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটলে এর সম্পূর্ণ দায় নির্বাচন কমিশনকে নিতে হবে বলে বিবৃতিতে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম